সেও ভালোবাসে (পর্ব-০৪)
...
সাদমানের মরদেহের পোষ্টমর্টেম রিপোর্ট দেখে ওসি আতিক অতটা বিচলিত হননি, যতটা অবাক হয়েছেন ডান চোখে বিঁধে দেয়া সরু ডালটায় অরুণিমার হাতের ছাপ পেয়ে৷
" ছয়দিন হলো মারা গেছে অরুণিমা। পরশু রাতে খুন হওয়া সাদমানের চোখে বিঁধে দেয়া আমের ডালটায় অরুণিমার হাতের ছাপ কীভাবে আসবে? "
প্রশ্নটা ভীষণ ভাবাচ্ছে ওসি আতিককে। পোষ্টমর্টেম রিপোর্টে তেমন কিছু শনাক্ত করা যায়নি৷ সাদমানের হাত দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছিল, কবজির সামান্য উপরে নাইলনের চিকন দড়ির ছাপ পাওয়া যায়। সারা শরীরে নখের আঁচড়, চোখদুটো উপড়ে ফেলা হয়েছিল, আর হাতের আঙ্গুলগুলো থেঁতলে দেয়া হয়েছিল পাথর জাতীয় কিছু দিয়ে।
সজীব সকাল থেকেই খাটে শুয়ে এপাশ-ওপাশ করে যাচ্ছে৷ বাসা থেকে বের হতে মন চাচ্ছে না তার। ডানহাতে কামড়ের দিকে তাকিয়ে সে আপন মনে ভাবতে শুরু করে, এসব কি আমার সাথে সত্যিই ঘটছে? নাকি নিছক কল্পনা! এসব হয়তো স্বপ্নই হবে, একটা মানুষ মরে যাওয়ার পর আসবে কীভাবে! সেটা তো আদৌ সম্ভব না। প্রথম পর্যায়ে অপরিচিতা কারোর উপস্থিতি উপলব্ধি করলেও এখন আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি মেয়েটা আরু। একই সময়ে আমরা তিনজন স্বপ্ন দেখেছি, যা হুবহু একই রকমের ছিল। প্রতি রাতে আমার পাশে অরুণিমার উপস্থিতি অনুভব করি আমি, তবে কি তাহলে সত্যিই স্বপ্নযোগে আমাদের বিয়ে হয়েছিল?
সজীব একমনে এসব চিন্তা করছে তখন রুমে তার মায়ের প্রবেশ৷ সজীবের মা বলেন, " অরু মারা গেছে আজ ছয়দিন। কিন্তু আর মনে হয় প্রতিটা মূহুর্ত এই বাসার চারিদিকে ঘুরে বেড়ায় অরু। তোর সাথে অরুর কি কোনো সম্পর্ক ছিল? "
সজীব তার মায়ের দিকে তাকায়৷ তারপর জবাব দেয়, " অরুকে আমি পছন্দ করতাম। "
" নিশ্চয়ই অরুর আত্মা আছে আমাদের বাসায়। ফকির বাবা থেকে তোর জন্য একটা তাবিজ এনেছি, সেটা গলায় ঝুলিয়ে রাখতে বলেছে। "
সজীব কথা না বাড়িয়ে সম্মতির স্বরে বলে, " দাও, গলায় পড়িয়ে দাও। "
গোয়েন্দা নিল।
মানসম্মত কর্ম কপালে জুটলেও সেসব বাদ দিয়ে শখের গোয়েন্দাগিরি বেছে নেয় সে। ক্লান্ত দুপুরেও বিছানায় গা এলিয়ে শুয়ে আছে গোয়েন্দা নিল। নিলের বিখ্যাত সহকারী শুভ চেয়ারে বসে পায়চারি করছে। আর মনেমনে বলছে, " ওসি আতিক সাহেব সেই কখন ডেকেছেন, অথচ উনার যাওয়ার কোনো নাম গন্ধ নেই। তবে আমাকে এনে বসিয়ে রেখেছে ঠিকই৷ "
প্রচণ্ড গরম। হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াতে টেবিল থেকে একটি বই নিয়ে নিজের গায়ে বাতাস করতে থাকে শুভ। শুভর নিজের কাছেই বিরক্ত লাগছে এভাবে বসে থাকার ব্যাপারটা। বইটা নাড়তেই হঠাৎ হাত থেকে ছিটকে পড়ে ফ্লোরে। আওয়াজ শুনে গোয়েন্দা নিল মাথা নাড়িয়ে তাকায় শুভ'র দিকে। শুভ ফ্লোর থেকে বইটা তুলছে তখন আধশোয়া অবস্থায় গোয়েন্দা নিল বলে উঠে, " গোয়েন্দাগিরিতে ধৈর্য শক্তিই হচ্ছে সাফল্যের অন্যতম মাধ্যম। "
শুভ "হ্যাঁ" ইঙ্গিতে মাথা নাড়িয়ে তারপর বলে, " আচ্ছা। "
গোয়েন্দা নিল বিছানা ছেড়ে ফ্রেশ হয়ে প্রস্তুতি নেয় ওসি আতিকের বলে দেয়া গন্তব্যে যাওয়ার।
" অরুণিমা মারা গিয়েছে পাঁচদিন গত হবার পর কীভাবে আমের সরু ডালে তার হাতে ছাপ পাওয়া যায়! "
জীপে বসা অবস্থায় নিজেকে এই প্রশ্নটা করে যাচ্ছে ওসি আতিক।
জীপটা গিয়ে থামে সোজা রফিক মিয়ার বাসার সামনে। মরা বাড়ি, এইজন্য চারিপাশ একদম নিশ্চুপ। বাসায় পরিবারের বলতে রফিক মিয়া এবং তার স্ত্রী বাদে আর কেউ নেই। রফিক মিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে আছে এই এলাকারই ছেলে শরীফ। শরীফ সবসময় সাদমানের সাথে থাকত। বাসার এদিক-ওদিক ঘুরে দেখছে ওসি আতিক৷ তখন বাহির থেকে গাড়ির হর্ণের আওয়াজ আসে ওসি আতিকের কানে। গেইট দিয়ে প্রবেশ করে দুজন লোক৷ তাদেরকে দেখে ওসি আতিক এগিয়ে গিয়ে বলেন, " এই! গোয়েন্দা নিল এবং শুভ। কী খবর তোমাদের? "
নিল তার মুচকি হাসির মাধ্যমে জানান দেয়, " অবস্থা বেশ ভালোই। "
নিল ওসি আতিককে উদ্দেশ্য করে বলে, " এখানে ডাকার কারণ কী? "
আতিক উল্টো প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়, " অতিরিক্ত সমস্যায় না পড়লে কখনো তোমাকে ডেকেছি আমি? "
নিল আবারও বলে, " আমরা সোজা কথায় আসি। "
" এই ছ'দিনের মধ্যে দুটো খুন হয়েছে এই এলাকায়। প্রথমে একটা মেয়ে, যাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। তারপর ঠিক পাঁচদিনের মাথায় খুন হয়েছে আরেকজন। তাকে খুন করা হয়েছে বেশ ভয়ানক ভাবে৷ ডান চোখে বিঁধে দেয়া হয়েছিল আমগাছের একটি দিকন ডাল। আর সেই ডালে পাওয়া গিয়েছে প্রথম রাতে খুন হওয়া অরুণিমা নামক মেয়েটির হাতের ছাপ৷ "
গোয়েন্দা নিল ওসি আতিকের কথা মনযোগ দিয়ে শুনছে। পাশ থেকে শুভ বলে উঠে, " ওহ মাই গড! কত ভয়ানক! গাছের ডাল চোখে বিঁধে দেয়া হয়েছিল? "
ওসি আতিক জবাব দেয়, " হ্যাঁ, তবে এটা কোনো বিষয় না৷ ভাবনা আমার ওইখানে, ছয়দিন আগে মরে যাওয়া মেয়েটার হাতের ছাপ কী করে আসলো সেই ডালে! "
শুভ আর কিছু না বলে তাকায় গোয়েন্দা নিলের দিকে৷ নিল ওসি আতিককে লক্ষ্য করে বলে, " খুনি হিসেবে কাউকে শনাক্ত করেছেন? "
" পরশু রাতে খুন হওয়া সাদমানের বোন বিন্দুকে নিয়ে ঐ রাতেই পালিয়েছে এই এলাকার বাধন নামের এক ছেলে। আমাদের সন্দেহ এখন বাধন এবং তার বন্ধুদের দিকে। "
নিল মুচকি হেসে বলে, " আগে ফলাফল শূন্যে থাকা বন্ধুদের সন্দেহ না করে সাদমানের বন্ধুদের সাথে কথা বলার দরকার ছিল আপনার। "
সাদমান ছিল এলাকায় ভয়ানক প্রকৃতির একজন। সাদমানের সাথে সবসময় ছায়ার মতো থাকত শরীফ। শরীফকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে সে বলে, " এলাকার সবাই সা'দ ভাইকে বড় ভাইয়ের নজরে দেখত। আর যারা সা'দ ভাইয়ের বন্ধু তারা কেউ এই গ্রামে থাকে না৷ সা'দ ভাই প্রতিমাসে আমাকে সাথে নিয়ে ঢাকায় যেতেন। ওখানেই ভাইয়ের সব বন্ধুর আড্ডা। একরাত কাটিয়ে পরদিন আবার গ্রামে চলে আসতাম আমরা৷ "
ওসি আতিক মনেমনে ভাবে, শরীফের কথায় একপ্রকার বিজ্ঞতা আছে, সহজে কোনো কথা বের করা যাবে না তার মুখ থেকে৷
গোয়েন্দা নিল রফিক মিয়ার থেকে অনুমতি নিয়ে ঢুকে পড়ে রুমগুলো দেখার উদ্দেশ্যে। নিলের লক্ষ্য সাদমান এবং বিন্দুর রুম। সাদমানের রুমটা অগোছালো বললেই চলে৷ ফ্রিজে কয়েকটা বীয়ারের বোতল, বালিশের নিচে কয়েক প্যাকেট সিগারেট। বন্ধুদের নিয়ে একটা গ্রুপ ফটো টানানো আছে দেয়ালে৷ রুমে আর তেমন কিছু ধরা পড়েনি গোয়েন্দা নিলের চোখে।
বিন্দুর রুমটা বেশ গোছালো। কাগজের রঙিন ফুল আটকানো আছে চারিপাশের সাদা দেয়ালে৷ টেবিলের উপর কয়েক তাক বই। সারা রুম ভালো করে লক্ষ্য করে গোয়েন্দা নিল, বাধনের ব্যাপারে বেশ কিছু সাধারণ তথ্যও মিলে যায় ওখানে।
ওসি আতিক সাহেব চেয়ারম্যান শামসুজ্জামানের বাহিরে দাঁড়িয়ে খুনের ব্যাপারে কথা বলছিলেন৷ গোয়েন্দা নিল ওসি আতিককে বলে, " আপনারা কথা বলুন, আমি ঘুরে আসি অরুণিমাদের বাসা থেকে৷ "
ওসি আতিক "হ্যাঁ" বলে সম্মতি দেয়।
শামসুজ্জামান সব ব্যাপারে সাহায্য করবেন, বলে নিশ্চয়তা দেয় ওসি আতিককে। তবে যেভাবেই হোক খুনিদের ধরতে হবে, এই সিদ্ধান্তে চেয়ারম্যান সাহেব অটল। চেয়ারম্যান শামসুজ্জামানের ফোনে কল আসে। অপর পাশ থেকে কী যেন বলে৷ শামসুজ্জামান বলেন, " ঠিক আছে বাবা, সাবধানে যাস। "
কল রাখার পর ওসি আতিক শামসুজ্জামানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, " কে ছিল? "
" আমার ছেলে। এলাকার অবস্থা তো ভালো না, তাই ঢাকায় যাচ্ছে বন্ধুর বাসায়। "
এই ব্যাপারে কথা বাড়ায় না ওসি আতিক। তবে মনেমনে ভেবে যাচ্ছেন, কোনো এক অদ্ভুত কারণে আসামী ধরা তো দূরের কথা, বিন্দুমাত্রও এগোতে পারছি না কিছুতে।
.
.
" অরুণিমার ডায়রিতে তোমার নাম, বিন্দুর টেবিলে ক্লথের নিচে তোমার বন্ধু বাধনের ছবি। বাধন বিন্দুকে নিয়ে পালিয়েছে, ওইরাতে খুন হয়েছে বিন্দুর ভাই সাদমান। তোমার কি মনে হয় না? তোমাকে আর তোমার বন্ধুদের জেলে দেয়া উচিত! "
বিকেলে সাক্ষাৎকারের জন্য ডেকে আনা হয় সজীব আর দিপুকে৷ তখন সজীবকে উদ্দেশ্য করে কথাগুলো বলে গোয়েন্দা নিল। সজীব কিছু না বলে চুপ থাকে।
" আমার তো মনে হয়, ওইরাতে সাদমান বাধা হয়ে দাঁড়ালে ওরা বন্ধুরা মিলে খুন করে দিয়েছে তাকে৷ "
নিলের পাশ থেকে শুভ কথাটি বলে।
সজীব এবার মুখ খুলে। শুভর দিকে তাকিয়ে রাগী ভাব নিয়ে বলে, " আপনারা কিন্তু আইনের লোক না, অযথা মিথ্যে অপবাদ দিলে থানায় গিয়ে হয়রানির মামলা ঠুকে দিব কিন্তু! "
সজীবের কথায় শুভ চুপসে যায়। গোয়েন্দা নিল সজীবের মুখে এমন কথা শুনে তাকে উদ্দেশ্য করে বলে, " আমরা আইনের লোক নয়, তবে কোনো সমস্যা সমাধানে আইনের লোকেরাই আমাদের স্বরণ করে থাকেন৷ তখন নিজেদেরকে আইনের লোকের মতোই পরিচালনা করতে হয় আমাদের৷ "
সজীব কথা বাড়ায় না৷ গোয়েন্দা নিল সজীবকে প্রশ্ন করে, " অরুণিমার সাথে তোমার ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল? "
সজীব জবাব দেয়, " আরুকে আমি ভালোবাসতাম, সে বাসতো কিনা তা জানিনা। আর ব্যক্তিগত বিষয়ে আপনাদের কিছু বলতে চাচ্ছি না আমি। "
গোয়েন্দা নিল অরুণিমার বিষয় পাল্টে তারপর যায় বিন্দু আর বাধনের সম্পর্কে। প্রশ্ন করে, " বিন্দু আর বাধনের প্রেম কতদিনের? "
সজীব উত্তর দেয়, " তা ঠিক জানি না৷ পরশু রাতে তারা পালাবে এটাই জানতাম। বাড়তি কোনো প্রশ্ন না করলে খুশি হব, কারণ পালানোর পেছনে আমাদের কোনো হাত ছিল না। "
মিথ্যে জবাব দেয় সজীব। নিল আর কথা না বাড়িয়ে বের হয়ে আসে সেখান থেকে।
মাঝরাত।
কিছুতেই ঘুম আসছে না সজীবের৷ গলায় ঝুলে থাকা তাবিজটায় অস্বস্তি লাগছে তার। অরুণিমার কথা ভাবতে পারছে না কিছুতে৷ মনে হচ্ছে কী এক বাধা এসে দাঁড়িয়েছে দুজনের মধ্যিখানে। অরুর কথা ভাবতে না পেরে একপ্রকার দম বন্ধ হয়ে আসছে সজীবের। সে চায় অরুকে প্রতিদিনের মতো স্বপ্নে দেখুক। সকালে উঠে নাহয় তাবিজটা আবার গলায় ঝুলিয়ে দিবে, এই ভেবে তাবিজটা গলা থেকে খুলে টেবিলের উপর রেখে আবারও শুয়ে পড়ে সজীব।
.
অরু আর সজীব দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে আছে একপানে৷ খাটের উপরে একজন আরেকজনায় তাকিয়ে বসে আছে মুখোমুখি। চোখের পলক পড়ছে না কারোর। অরুর মুখে হাসি নেই দেখে সজীব বলে, " আরু! হাসো একটু৷ "
অরুণিমা বলে, " আমরা বিয়ে করেছি, অথচ কেউ জানে না৷ চলুন আম্মুকে সালাম করে আসি দুজনে৷ "
হাসিমাখা মুখে মাথা নেড়ে "আচ্ছা" সম্মতি জানায় সজীব।
দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে আছে আবারও। তাদের দূরত্ব ক্রমশ কমেই আসছে। শ্বাস-প্রশ্বাস ঘন হচ্ছে দুজনের। সজীব খুব কাছে চলে যায় অরুণিমার৷ অরুণিমার গরম শ্বাস এসে পড়ে সজীবের মুখে। অদ্ভুত এক শিহরণ বয়ে যায় তার মনে৷ অরুর শ্বাসের গরম হাওয়া সজীবের কাছে অগ্নিকুণ্ডের মতো মনে হয়৷ তাপমাত্রা সহ্যের সীমানা পেরিয়ে যায় একসময়৷ সজীব লাফিয়ে উঠে শোয়া থেকে, বসে পড়ে সে৷ ফজর আজানের ধ্বনি ভেসে আসে সজীবের কানে৷ এই ফজরের সময় হলেও সজীবের সাথে অদ্ভুত অন্যরকম কিছু ঘটে, আর জেগে যায় প্রতিবার৷
নতুন দিনের আগমন।
সজীব ঘুমিয়ে যাচ্ছে অকাতরে। সজীবের মা এসে তাকে ডেকে তুলে। ঘুমঘুম চোখে সজীব প্রশ্ন করে, " কী হয়েছে মা? "
সজীবের মা রাগী স্বরে উল্টো প্রশ্ন করে, " তোর গলার তাবিজটা কোথায়? "
সজীবের হাতের ইশারায় টেবিলের দিকে দেখাতেই লক্ষ্য করে সেখানে তাবিজটা নেই৷ সজীব আর কিছু না বলে চুপ থাকে৷ সজীবের মা আবারও প্রশ্ন করে, " একটা সত্যি কথা বলবি? "
সজীব মাথা নেড়ে বলে, " হ্যাঁ বলো। "
" তুই আর অরু কি বিয়ে করেছিলি? "
সজীব বেশ অবাক হয়। জিজ্ঞেস করে, " হঠাৎ এমন প্রশ্ন কেন মা? "
" কারণ গতরাতে স্বপ্নে দেখেছি, তুই আর অরু বিয়ে করে তারপর আমার সালাম করতে আমার রুমে গিয়েছিস। "
সজীব আৎকে উঠে৷ সেও তো গতরাতে স্বপ্নে অরুণিমাকে সাথে নিয়ে রুমে গিয়ে সালাম করেছিল তার মা'কে!
( To be continue... )