সেও ভালোবাসে (পর্ব-০৩)
...
" সা'দ ভাই খুন হয়েছে। "
পুরো নাম সাদমান। সাদমান হচ্ছে বিন্দুর বড় ভাই। সারা এলাকায় কুকর্মের দ্বারা নিজের ডাক-নাম কামিয়ে নিয়েছে সে। এলাকার সবাই এক নামে চেনে তাকে৷ সা'দ নামটা শুনলে বুকটা "ধুক" করে কেঁপে উঠে এলাকার অধিকাংশ মানুষের। সকালে মায়ের বিলাপ শুনতে শুনতে হাতে থাকা মগের কফিটা একদম সর্দ হয়ে গিয়েছে। হঠাৎ বাহিরে কোলাহল শুরু হয়। এই ক'দিন যাবত এমনটা হলেও আজ একটু ভিন্ন, হুট করেই লোকের মাতামাতি অতিরিক্ত হারে৷ বাহিরে কী হচ্ছে তা দেখার উদ্দেশ্যে সজীব বের হতে যাবে তখন পেছন থেকে তার মা গতকালের ন্যায় বলে, " কোনো ঝামেলায় জড়াস না বাবা। "
সজীব তার মায়ের কথার কোনো তোয়াক্কা না করে বের হয়ে পড়ে বাসা থেকে৷ রাস্তায় পা রাখতেই লক্ষ্য করে, সারা রাস্তা জুড়ে শুধুমাত্র মানুষ আর মানুষ। এত হারে মানুষ দেখে সজীব খানিকটা অবাক হয়। দিপুর সাথে দেখা হতেই সজীব তাকে প্রশ্ন করে, " কিরে! কী হয়েছে? "
দিপু উত্তর দেয়, " সা'দ ভাই খুন হয়েছে৷ "
সজীব চমকে উঠে৷ গতরাতে অনেক কষ্ট করে সবার চোখে ধুলো দিয়ে বিন্দুকে তার বাসা থেকে বের করতে হয়েছিল। সা'দ ভাই-ই ছিল বাধন, দিপু আর সজীবের ভয়ের অন্যতম কারণ।
" একই রাতে সা'দ ভাই খুন হলো কীভাবে? "
প্রশ্নটা ঘুরপাক খাচ্ছে সজীব এবং দিপু উভয়ের মাথায়।
গত পাঁচদিন আগে অরুণিমার ধর্ষিত দেহটা যেখানে পাওয়া গিয়েছিল সেখানেই সাদমানের মৃতদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় গ্রামবাসীরা৷ গ্রামবাসীরা পুলিশকে খবর দিয়ে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে দেখছে সাদমানের দেহের বিভৎস অবস্থা৷ সাদমানের খুন হওয়া দেহের অবস্থা একদম যা-তা৷ সাদমানের মুখ সহ সারা গায়ে আঁচড়, দেখে মনে হচ্ছে কেউ বোধহয় তার চামড়া ছিঁলতে চেয়েছিল। দাঁতগুলো একদম ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে সাদমানের, হা করা মুখের ভেতরে সহ দেহের পাশে কয়েকটা দাঁত পড়ে আছে। হাতের আঙ্গুলগুলো কিসের আঘাতে যেন একদম থেঁতলে দেয়া হয়েছে। আঙ্গুলের এমন অবস্থা যে নখগুলো খুঁজে বের করা একদম দুষ্কর। তার চোখদুটো উপড়ে ফেলা হয়েছে। ডান চোখ সংযোগ মাধ্যমে একদম মাথার ভেতরে ঢুকে আছে কোনো এক গাছে কাঁচা সরু ডাল৷ অপ্রাপ্তবয়স্ক অথবা দূর্বল হৃদয়ের কেউ এমন অবস্থায় সাদমানকে দেখলে জ্ঞান হারাবে এটা নিশ্চিত৷ পুলিশের গাড়ির হর্ণের আওয়াজে রাস্তা থেকে একপাশ হয়ে দাঁড়ায় গ্রামের লোকজন। লোকজনদের সরিয়ে পুলিশেরা মরদেহটা ভালোভাবে লক্ষ্য করে৷ পুলিশেরাও একপ্রকার আতঙ্কে পড়ে গিয়েছে, কারণ ঠিক পাঁচদিন আগে একই জায়গায় একটি মেয়ের ধর্ষিত দেহের তদন্ত করেছিল তারা।
ইতিমধ্যে সারা গায়ে রটিয়ে পড়ে, " সা'দ ভাইয়ের ছোট বোন বিন্দু কোনো এক ছেলের হাত ধরে পালিয়ে গিয়েছে গতরাতে৷ "
পুলিশ এদিক-ওদিক ভালোভাবে দেখছে, যদি কোনো তথ্য পায় এই উদ্দেশ্যে৷ ঘটনাস্থলে সাদমানের বাবা রফিক মিয়ার আগমন। রাস্তার একপাশে নিশ্চুপ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সজীব আর দিপু। পুলিশ অফিসার রফিক মিয়ার কাছে আসতেই তিনি কান্নার স্বরে বলে উঠেন, " আমার ছেলের খুনের পেছনে সুলতানের ছেলে বাধনের হাত আছে। গতরাতে বাধন আমার মেয়েকে নিয়ে পালিয়েছে৷ "
রফিক মিয়ার মুখে এমন কথা শুনে দিপু কিছু বলতে যাবে তখন সজীব তাকে আটকে দেয়৷ গোটা এলাকার লোকদের মুখে বিরাজ করতে শুরু করে, " হ্যাঁ, এটাই হবে। বিন্দুকে নিয়ে পালাতে বাধনের কোনো সমস্যা হওয়ার কারণে মনে হয় সাদকে খুন করেছে সে৷ "
লোকেদের অন্ধ ধারণা দেখে সজীব আর দিপু রাগে ফুঁসে উঠছে প্রায়৷ তবে এখানে উল্টাপাল্টা কিছু করলে বা বললে তাদের উপর দোষ চাপানো হবে এই ভেবে চুপ থাকে দুজন৷
পুলিশ গ্রামবাসীদের কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করে সাদমানের মৃতদেহ পোষ্টমর্টেমের জন্য পাঠিয়ে দেয়। এখন পুলিশের লক্ষ্য বাধন এবং বিন্দুকে খুঁজে বের করা। বাধনের বন্দু-বান্ধবের কথা আসতেই প্রথমে নাম উঠে আসে সজীব, দিপু আর সুমনের। সুমন পাঁচদিন হলো এই গ্রামে নেই, তাই সুমনকে বাদ দিয়ে পুলিশের নজরে আসে সজীব আর দিপু। পুলিশ অফিসার আতিক দুজনকে প্রশ্ন করার জন্য আলাদা ডেকে পাঠায়। ওসি আতিক সজীব আর দিপুকে উদ্দেশ্য করে বলে, " তোমরা দুজনই তো বাধন আর বিন্দুকে পালাতে সাহায্য করেছো তাইনা? "
দিপু ভয়ার্ত চোখে সজীবের দিকে তাকায়। সজীব খানিকক্ষণ চুপ থাকে। তারপর বলে, " বাধনের সাথে দিনের বেলায় কথা হয়েছিল আমাদের। "
" বাধন আর বিন্দুকে এলাকা থেকে ভাগিয়ে নেয়ার সময় সাদমান বাধা হয়ে দাঁড়ালে তাকে খুন করে দিলে তোমরা? "
সজীব ওসি সাহেবের চালাকি বুঝতে পারে। অজান্তে দোষ চাপিয়ে সত্য প্রকাশ করাতে চাইছে সজীব আর দিপুর কাছ থেকে। সজীব উত্তর দেয়, " বাধন আমাদেরকে বলেছিল বিন্দুকে নিয়ে সে পালাবে। কিন্তু সা'দ ভাইয়ের ভয়ে আমরা তাকে সাহায্য করতে না করে দিই। "
ওসি সাহেব সজীবের কথা শুনে একটা তাচ্ছিল্যের হাসি দিয়ে বলে, " আমিও একসময় আমার বন্ধুদের অনেক কাজে সাহায্য করতাম, সেটা ন্যায় হোক আর অন্যায়। "
সজীব আর কথা বলে না। ওসি আতিক দিপুকে উদ্দেশ্য করে বলে, " বিন্দুকে পালাতে তুমিও সাহায্য করেছিলে? "
দিপু নিচুস্বরে জবাব দেয়, " সা'দ ভাইকে আমার অনেক ভয় লাগে। উনার সাথে টক্কর দেওয়ার কলিজা আমার এখনো হয়নি। "
ওসি সাহেব সজীব আর দিপুকে বলে, " আজ সময় কম তাই বেশি কথা বলতে পারছি না, পরে তোমাদের সাথে কথা হবে। আর হ্যাঁ, তোমরা কেউ যেন এই এলাকার বাহিরে আর না যাও। "
ওসি আতিক বের হয়ে যায় রুম থেকে। সজীব আর দিপুও চলে যায় নিজেদের গন্তব্যে।
সাদমানদের বাড়ির উঠোনে বসে আছে এলাকার বেশ কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। পুলিশ অফিসার সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলেন, " পাঁচদিনের ব্যবধানে একই জায়গায় দুটি খুন হয়েছে। এখন থেকে সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে, আরেকটা খুন যে হবে না তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। "
বসে থাকা চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান বলেন, " যে করেই হোক আমরা চাই খুনিদের ধরা হোক৷ যদি খুনিতা এই এলাকার এমপি সাহেবের ছেলেও হয়, তাহলেও তাকে যেন ছাড় না দেয়া হয়। "
তখন ছেলের মৃত্যু শোকে কাতর হওয়া রফিক মিয়া বলে উঠে, " আগে সুলতানের ছেলে বাধনকে ধরে আনা হোক। ছ্যাঁচড়াটা আমার মেয়েকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে গতরাতে ভাগিয়ে নিয়ে গেছে। "
ওসি আতিক রফিক মিয়াকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, " আচ্ছা, আমরা যথেষ্ট চেষ্টা চালাবো। "
ওসি সাহেব বেঠক ছেড়ে উঠে গিয়ে বসে পড়ে জীপের সীটে, থানার উদ্দেশ্যে। হয়তো কখন পোষ্টমর্টেম রিপোর্ট হাতে আসবে এই অপেক্ষা।
বাসায় ফিরেই সজীব কল দেয় বাধনের ফোনে। আওয়াজ আসে, কাঙ্ক্ষিত এই মূহুর্তে সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। "
সজীব আর কল দেয় না, হয়তো নিরাপত্তার জন্য ফোন অফ করে রেখেছে এই ভেবে। সজীব খাটের একপাশে চুপটি করে বসে আছে তখন রুমে তার মায়ের আগমন। সজীবের মা রুমে ঢুকেই সজীবকে উদ্দেশ্য করে বলে, " চল, আজকে একজন ফকির বাবার কাছে যাবো তোকে নিয়ে। "
সজীব রাগীভাব নিয়ে বলে, " আম্মু, তুমি কিন্তু বেশি করছো। আমার জেদ সম্পর্কে জানো অবশ্যই! আমি কোথাও যাচ্ছি না। "
" আচ্ছা, আমি কথা বলে একটা তাবিজ এনে দিলে সেটা সাথে রাখবি তো? "
সজীব আর প্রশ্নের উত্তর দেয় না। সজীবের মা ভাবে, ছেলের সম্মতি আছে। তিনি চলে যান সজীবের রুম থেকে।
সজীব একা বসে ভাবতে থাকে, এসব কী হচ্ছে আমার সাথে! সত্যিই কি আমার রুমে আরুর অবস্থান বিদ্যমান? নাকি সব কল্পনা? না, কল্পনা হতে যাবে কেন? আম্মুও নিজ চোখে দেখেছে আরুকে। গুছানো রুম, সকালের দেয়া কফি! নাকি আম্মু আমার সাথে মিথ্যে বলছে! বুঝতে পারছি না কিছু।
আরুর খুন হওয়ার ব্যাপারটা আমি এখনো নিতে পারছি না কোনোমতে। তাকে যে আমি প্রচণ্ড ভালোবাসি! কিন্তু আরু তো আমাকে ভালোবাসতো না। তাহলে আমি তাকে স্বপ্নে দেখছি কেন? স্বপ্নে বিয়েও করেছি তাকে! শুধু তাই নয়, আমি সহ দিপু এবং কাজী সাহেবও একই স্বপ্ন দেখেছে৷ আচ্ছা, সুমনও কি এই স্বপ্নটা দেখেছিল? সেও তো আমার বিয়েতে সাক্ষী ছিল স্বপ্নে! কাজ করছে না মাথা, জানি না কী ঘটতে যাচ্ছে আমার সাথে।
সজীব ভাবতে থাকে...
আরুকে আমি প্রচণ্ড রকমের ভালোবাসতে শুরু করি। কিন্তু তার দিকে তাকালেই কেমন যেন বুকটা কেঁপে উঠত আমার৷ সব সুখে একটা চিনচিনে ব্যথা থাকে, কখনো তা ভাবনায় ভড় করে, আবার কখনো অন্তরে মোচড় দেয়। আরুর দিকে তাকালেই ভুলে যাই পৃথিবীর সবকিছু, মনে হয় চলে এসেছি অন্য ভূবনে। টানা দুটো চোখে হালকা কাজল, ঘনঘন পলক ফেলে অদ্ভুত চাহনি। ঠোঁট বাঁকানো হাসি, দুপাশের গালদুটো ফুলে ওঠা। মনটা খুবই আনচান করে, যখন সে আমার দিকে নাক ফুলিয়ে তাকায়৷ তাকে রাগাতে বেশ ভালো লাগে আমার, তাই কারণে অকারণে অদ্ভুত কবিতা শুনাই তাকে আমি। বড্ড ভালোবাসি তাকে৷ কিন্তু যেদিন প্রথম ভালোবাসার কথা প্রকাশ করি সেদিন তো আরু আমাকে না করে দিয়েছিল৷ সাফ-সাফ বলে দিয়েছিল, " কারোর সাথে প্রেম করা আমার দ্বারা অসম্ভব। "
প্রতিদিন নিয়ম করে বলতাম, " আরু একটা কথা বলি? "
সে আমার কোনো কথা শুনতে কখনো না করেনি, বরাবরই জবাব ছিল, " বলেন। "
মুচকি হেসে বলতাম, " থাক, আরেকদিন বলবো। "
আকাশটা মেঘলা ছিল সেদিন।
দুপুরে আরুদের বাসায় যাওয়া আমার নিয়মিত রুটিন ছিল। বারান্দায় ঢুকতেই ঝুম বৃষ্টি। সেদিন আরুর মা ও ছিল পাশের বাসার চাচিদের বাসায়। কথা বলার সুযোগটা বেশি পাই আরও।
বাহিরে বৃষ্টি, বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছি আমি। পাশে এসে আরু দাঁড়ায়৷ জিজ্ঞেস করে, " কিছু বলছেন না যে? "
আমি তার দিকে তাকাই। আমার বা'হাতটা দিয়ে আরুর ডান হাত চেপে ধরি। আরু দুচোখ বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। নরম গলায় বলি,
" তুমি কি জানো?
কেন ছুটে আসি!
তুমি কি মানো?
বড্ড ভালোবাসি! "
আরু হেসে উঠে। তারপর বলে, " আজকের কবিতাটা সুন্দর ছিল৷ "
আমি তার হাতটা ঘুরিয়ে দেয়ালে চেপে ধরি৷ তারপর বলি, " সত্যি তোমার ভালোবাসি। "
আরুর শ্বাস ঘন হয়ে যাচ্ছে লক্ষ্য করলাম। আমার বুকেও একপ্রকার কম্পন শুরু হয়। আরু কাঁপা-কাঁপা গলায় বলে, " কারোর সাথে প্রেম করা আমার দ্বারা অসম্ভব। "
উত্তরে থমকে গিয়েছিলাম আমি৷ তাহলে কি সে অন্য কাউকে! আর ভাবতে পারিনি আমি৷ সব সুখে নয়, শোকেও একটা চিনচিনে ব্যথা থাকে সেটা বিশ্বাস করে নিই আমি৷
সজীবের ভাবনার সমাপ্তি ঘটে৷ কিছুটা বিশ্রাম নিতে হবে এখন তাকে৷ সারাটা দিন একপ্রকার হাঁসফাঁস করতে করতেই কেটে যায় সজীবের।
.
.
রাত জেগে আড্ডা দিচ্ছে অরুণিমা আর সজীব। সজীব অরুকে প্রশ্ন করে, " তুমি কি সত্যিই আমার বিয়ে করা বউ? "
অরু একগাল হেসে উত্তর দেয়, " হ্যাঁ, বোকা একটা। "
সজীব অরুর ঘাড়ে হাত রাখে, অরুর দেহের মেয়েলি গন্ধ সজীবকে টানছে খুব। সজীব অরুর দিকে তাকিয়ে আছে। অরু সজীবকে বলে, " সেদিন বলেছিলাম না? কারোর সাথে প্রেম করা আমার দ্বারা অসম্ভব! "
সজীব ঘাড় নেড়ে "হ্যাঁ" বলে। অরু আবারও বলতে শুরু করে, " কারোর সাথে প্রেম করা আমার দ্বারা অসম্ভব, কারণ আমি আপনাকে ভালোবাসি। "
সজীব মুচকি হাসে৷ ভাবে, এই বুঝি তার ভালোবাসা স্বার্থক হলো৷ পরক্ষণেই আবার অরুকে উদ্দেশ্য করে বলে, " এটা আমি প্রতিবারের মতো স্বপ্ন দেখছি না তো? "
অরু হেসে বলে, " না। "
সজীব বলে, " আমার তো বিশ্বাস হচ্ছে না৷ "
অরু দুষ্টুমির ছলে সজীবের ডানহাতটা নিজের ঘাড় থেকে নামিয়ে একটা কামড় বসিয়ে দেয় সেখানে৷
সজীব " আহহহ" শব্দ করে উঠে বসে পড়ে শোয়া থেকে৷ ফজর আজান হচ্ছে চারিদিকে। তাকিয়ে দেখে রুমে সজীব ছাড়া কেউ নেই, অরু গেল কোথায়! সজীব হালকা আওয়াজে বলে, " ধুর! এটাও স্বপ্ন ছিল৷ "
পরক্ষণেই ডান হাতের দিকে নজর যেতে চমকে যায় সজীব। অরুর সেই মাঝারি সাইজের চিকন দাঁতের কামড়ের দাগ বসে আছে সজীবের ডান হাতে!
( To be continue... )