সেও ভালোবাসে (পর্ব-০২)

সেও ভালোবাসে (পর্ব-০২)
...
" তাহলে কি স্বপ্নযোগে সত্যি সত্যিই আমার আর আরুর বিয়ে হয়েছিলো? "
মনেমনে নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করে সজীব৷ কোনো উত্তর মিলে না প্রশ্নের৷ তবে একই রাতে কাজী রহমত ভূইয়া এবং দিপু সজীবের স্বপ্নটাই দেখেছিলো, এই ব্যাপারটা সজীবকে ভাবাচ্ছে প্রচুর৷
কাজী রহমত ভূইয়া সজীবকে উদ্দেশ্য করে বলে, " ওই মেয়েটাকে কি তুমি চেনো? "
সজীব এক কথায় উত্তর দেয়, " হ্যাঁ। "
পাশে বসা দিপু বলে উঠে, " আমরা তিনজন একই রাতে একটাই স্বপ্ন দেখেছিলাম৷ আর ওই রাতেই অরুকে কে বা কারা ধর্ষণ করে খুন করে ফেলে রেখেছিলো রাস্তার ধারে। "
অরু ওই রাতে খুন হয়েছে শুনে কাজী সাহেব ভড়কে যান। তিনি বলেন, " আমি স্বপ্নে যে মেয়েটার পড়িয়েছি তার নাম তো অরুণিমা-ই ছিলো! "
কারোরই বুঝতে বাকি নেই, একই স্বপ্ন দেখেছিলো তারা।
কলের টিউনে বাধনের দিকে তাকায় সবাই৷ কল রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে বাধনের রুমমেট ইমরানের আওয়াজ আসে, " তোদের কতটুকু এগোলো? আর চট্টগ্রাম আসতে কতক্ষণ? "
বাধন উত্তর দেয়, " সব ঠিকমতই এগোচ্ছে, বেশি দেরি হবে না আমাদের। "
কল কেটে দেয় বাধন৷ কাজী সাহেবকে উদ্দেশ্য করে তাগাদা দিয়ে বলে, " আমাদের দেরি হয়ে যাচ্ছে, বিয়েটা যত তাড়াতাড়ি হয় আমাদের জন্য ততই মঙ্গল। "
কাজী রহমত ভূইয়া আগের ব্যাপার বাদ দিয়ে বর্তমানে আসেন৷ বাধন আর বিন্দুর বিয়ে পড়ানোর সকল প্রস্তুতি নিতে থাকেন৷ ঘন্টাখানেকের মধ্যে বিয়ে সম্পন্ন হয়ে যায় বাধন আর বিন্দুর৷
রাত দুইটা বেজে গিয়েছে।
সবেমাত্র বাধন আর বিন্দুকে স্টেশনে ছেড়ে দিয়ে এসেছে সজীব আর দিপু। দুজন নিজেদের গ্রামের উদ্দেশ্যে হাঁটছে তখন সজীব দিপুকে প্রশ্ন করল, " সুমন কোথায়? তাকে তো কয়েকদিন ধরে দেখছি না একদম! "
দিপু তখন বেশ তাড়াহুড়ো করে বলে, " আরে! তুই ভালো কথা মনে করিয়েছিস৷ সুমন তো রবিবার সকালেই নাকি ঢাকায় চলে গিয়েছে, তার খালা বাসায় বেড়াতে। "
" আমার সাথে দেখা করেনি যে? "
সজীবের প্রশ্নে দিপু উত্তর দেয়, " আমার সাথেও দেখা করেনি৷ সুমনের খোঁজ করতে গিয়ে তার বাসায় যেতে আন্টি বলল, সুমন নাকি ভোরেই তার খালার বাসায় চলে গিয়েছে। "
কথা বাড়ায় না সজীব, ব্যাপারটা ভালোভাবে জানতে হবে তাকে।
রুমে ঢুকতেই কিছু ভিন্নতা লক্ষ্য করে সজীব। রুমটা বেশ গুছালো, সাথে অদ্ভুত একপ্রকার ঘ্রাণ। সজীবের মনে হচ্ছে অন্য কারোর রুমে ঢুকে পড়েছে ভুলে। এই ঘ্রাণটা প্রতিরাতেই ঘুমের মধ্যে পেয়ে থাকে সজীব। কিন্তু আজ জাগ্রত অবস্থায় পেয়ে বেশ খুশি হয় সে। সজীব ধরে নেয় রুমটা হয়তো তার মা গুছিয়ে দিয়েছে, বন্ধুরা এসে রুমটা আরও এলোমেলো করেছে বিধায়৷
রাতের শেষাংশ।
তার ভাবনায় শুধুমাত্র অরুণিমা বিরাজ করছে এখন।
কালো, ঘন, লম্বা মোলায়েম চুলের অধিকারিণী অরুণিমা নামের মেয়েটি। মুখে তার মায়া-মায়া ভাব। তবে হাসলে তার গালে টুল পড়ে না, গালদুটো দুপাশ থেকে ফুলে উঠে সামান্য৷ আরুর দাঁতগুলো বেশ চিকন আর মাঝারি আকারের৷ অরুণিমার হাসিমাখা মুখ বারবার ভেসে উঠে সজীবের চোখে। সজীব কল্পনা করতে থাকে অরুণিমাকে দেখার মূহুর্তগুলো...
দুপুরবেলায় কাদের চাচা বাসায় থাকে না জেনেও আমি বারবার একই সময়ে আরুদের বাসায় যেতাম। গিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই ভেতর থেকে আওয়াজ আসতো, " কাকে খুঁজছেন? "
আরুর কণ্ঠ শুনে আমি বিব্রত হই৷ কাঁপা গলায় উত্তর দিই, " কাদের চাচা কোথায়? "
" কতবার বলবো? প্রতিদিন এই সময়ে বাজান বাসায় থাকে না! "
আমি নিচুস্বরে বলতাম, " আচ্ছা, ঠিক আছে। "
আমি ফিরে আসবো এমন সময় ভেতর থেকে আরুর গলায়, " দাঁড়ান একটু৷ " কথাটি শুনতে হতো প্রতিদিন। পিঁছুফিরে আবার বারান্দা মুখো হয়ে দাঁড়াই আমি৷ আরু বারান্দায় আসে৷ লক্ষ্য করি আরুর দিকে৷ তার চোখে কাজল, তবে ঠোঁটে লিপস্টিক নেই৷ ঘনঘন চোখের পলক ফেলে আরু আমাকে প্রশ্ন করে, " সত্যিই কি বাজানকে খুঁজতে আসছেন? "
আমি নড়েচড়ে উঠি৷ তারপর বলি, " এক গ্লাস পানি দাও তো আরু৷ "
পানি নিয়ে আসতেই বারান্দায় বসে পড়ি, পানি সবটা গলা দিয়ে না নামলেও কয়েক ঢুক গিলে নিই৷ আরু মুচকি হেসে বলে, " প্রতিদিন তাহলে পানির জন্যই আসেন তাইনা? "
তারপর খিলখিলিয়ে হাসতে থাকে আরু৷ মুগ্ধ নয়নে চেয়ে থাকি তার দিকে। আমার চেয়ে থাকা দেখে তার হাসি থেকে যায়। আরুর চুপসে যাওয়া মুখটা দেখলে ভয় ঢুকে যায় আমার মনে৷ তাকে একটু হাসানোর উদ্দেশ্যে বলি, " একটা কবিতা বানিয়েছি, শুনবে? "
আরু মাথা নেড়ে "হ্যাঁ" সম্মতি জানায়। কবিতা লিখিনি কখনো, তবুও বলতে শুরু করি,
" মুগ্ধ নয়নে চেয়ে থাকি
আমি তোমার পানে,
বধূ হয়ে যাবে বাড়ি
তুমি আমার সনে? "
লক্ষ্য করলাম আরু কবিতায় মনযোগ দিয়েছে, তবে আমার তো এখান থেকে কেটে পড়তে হবে এখন। আবারও বলা শুরু করলাম,
" তোমাকে মোর লাগে ভালো
তাইতো ডাকি আরু,
রুমটা আমার এলোমেলো
দেবে সেথায় ঝাড়ু? "
বলে আরুর দিকে তাকালাম। নাকটা ফুঁসছে তার। আমি উঠে হাঁটা শুরু করলাম বাসার উদ্দেশ্যে। পেছন থেকে আরু বলছে, " দাঁড়াও ঝাড়ুটা নিয়ে আসি৷ "
এভাবেই কেটে যেতো প্রতিটা দুপুর।
আরুকে আমার প্রথম-প্রথম খুব ভালো লাগত৷ তবে ধীরেধীরে প্রেমে পড়ে যাই তার, ভালোবাসতে শুরু করি তাকে। কাদের চাচা একজন রসিকবাজ মানুষ। উনার সাথে এলাকার সব ছেলেরাই দুষ্টুমি করতাম সবসময়। একদিন বন্ধুদের সাথে আড্ডারত অবস্থায় আছি তখন কাদের চাচা আসে আমাদের কাছে৷ তখন চাচাকে প্রশ্ন করি, " কাকা, একটা মেয়েকে আমার ভালো লাগে৷ কীভাবে প্রপোজ করি সেটা বলো তো৷ "
চাচা হাসিমুখে জবাব দেয়, " তোদের বয়সে আমরাও কত দুষ্টুমি করতাম৷ এই বয়সে কাউকে দেখলে ভালো লাগবে এটাই স্বাভাবিক। "
চাচার কথা বাড়ানো দেখে আবারও বলি, " আরে কাকা, বুদ্ধি দাও তো৷ কী করা যায় এখন? "
শোন বলি, " সব মেয়েরা কিন্তু টাকাপয়সা আর ভাব-সাব পছন্দ করে না৷ কিছু মেয়ে শুধু ভালোবাসা চায়৷ তাই বলি মেয়েটাকে আগে বুঝ, যদি শুধু ভালোবাসা চায় তাহলেই বুঝবি মেয়েটা তোর জন্য একদম মানানসই। "
মনেমনে ভাবতে শুরু করি, আরে! চাচার কাছেই চাচার মেয়ে পটানোর বুদ্ধি নিচ্ছি? বাহ্, ভালোই তো। দুষ্টুমির ছলে চাচাকে প্রশ্ন করি, " মেয়েটাকে মনে হয় রাজি করাতে পারবো, কিন্তু মেয়ের বাপকে তো আমার খুব ভয় লাগে কাকা! "
চাচা তখন মুচকি হাসি দিয়ে বলেছিলো,
" কিসের চিন্তা আর তোমাদের?
ছেলে রাজি মেয়েও রাজি,
দেরি আর কেন তাতে?
ডাকো তোমরা কাজী। "
আমি চাচাকে থামিয়ে আবারও বলি, " কিন্তু মেয়ের বাবা? "
চাচা বলতে শুরু করে,
" মেয়ের বাপের রাগ যদি হয়
সিংহের-ই গর্জন,
মেয়ের ইচ্ছের কাছে তবুও
জেদের বিসর্জন। "
চাচার কবিতা শুনে সাথের ছেলেরা বলতে লাগল, " আহা! কী কবিতা। চাচা ফাটিয়ে দিয়েছো একদম৷ "
মনেমনে বলি, " যাক, শশুরমশাইয়ের সাথে দুষ্টুমিটা অন্তত করা যাবে বিয়ের পর।
তারপর থেকেই আরুকে কবিতা শুনিয়ে পটানোর চেষ্টা চালাতে থাকি আমি। সারাদিন আরুর পিঁছুপিঁছু তাকে অনুসরণ করা আমার প্রতিদিনের কাজ ছিল।
সজীব কল্পনা ছেড়ে বাস্তবে আসে৷ ঘড়িতে চোখ বুলিয়ে দেখে, রাত তিনটা বেজে পয়তাল্লিশ মিনিট। আর মাত্র ঘন্টাখানেক পর ফজর আজান হবে। সজীব তার দুচোখ ডান হাতের দিয়ে আবৃত করে ঘুমানোর চেষ্টা চালায় আর ভাবতে থাকে আরুকে নিয়ে দেখা সেই স্বপ্নের কথা...
দুপুরবেলা যখন বই পড়ছিলাম তখন হুট করে আমার রুমে ঢুকে পড়ে আরু। প্রথমবার অনুমতি ছাড়া আমার রুমে ঢুকে সে। হাতটা ধরে টান দেয় আর বলে, " চলুন আমার সাথে। "
তার নরম হাতের ছোঁয়া আমার বুকে কম্পন তৈরি করেছিল তখন৷ আমি তার পিঁছু হাঁটতে শুরু করি, তবুও হাতটা ছাড়ে না আরু। রাস্তা ধরে হাঁটতে থাকে আমাকে নিয়ে৷ হাতে হাত রেখে হাঁটছিলাম তাই কিছু বলছিলাম না আমি। হঠাৎ আকস্মিকভাবে রাত হতে শুরু করে৷ কখন যে বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা এলো, আর কখন যে সন্ধ্যা গড়িয়ে গভীর রাত হতে যাচ্ছে টেরও পেলাম না আমি৷ পাশের এলাকায় চলে এসেছি হাঁটতে-হাঁটতে। এলাকার কাজী অফিসের সামনে এসে দাঁড়ায় আরু। পথিমধ্যে একটুও কথা হয়নি আমাদের৷ কাজী অফিসের দরজায় দিপু আর সুমনকে দেখে প্রথমে চমকে যাই আমি। আমাকে দেখে দিপু আর সুমন একটু হাসে, রাগী চোখে আমি তাকাই। পাশ থেকে আরু আমাকে প্রশ্ন করে, " আমাকে ভালোবাসেন? "
আমি আমতা-আমতা করে উত্তর দিয়েছিলাম, " হ্যাঁ। "
" তাহলে আজই আমরা বিয়ে করছি। "
বলে কাজী অফিসের ভেতরে প্রবেশ করে আরু, আমিও পিঁছুপিঁছু প্রবেশ করি রুমটায়। আমার হাতটা তখনো ধরে রেখেছে মেয়েটা। লাল দাড়িওয়ালা লোকটাকে দেখেই বুঝতে পারি উনি কাজী৷
কাজী সাহেব বিয়ে পড়িয়ে দেয় আমাদের। বিয়েতে সাক্ষী হিসেবে ছিল আমার দুই বন্ধু দিপু আর সুমন৷
মাঝরাতে বাসার কাউকে না বলে লুকিয়ে বাসায় প্রবেশ করি আমরা দুজন। অচেনা টানে রুমে বসে শুরু করেছিলাম, দুজনের মনের কথাগুলো প্রকাশ করার প্রতিযোগিতা। কথা বলতে বলতে কখন যে ঘুমিয়ে যাই নিজেও টের পাইনি এখন৷ এভাবেই শেষ হয়েছিল শনিবার রাতে দেখা সেই স্বপ্ন।
স্বপ্নের কথা ভাবতে ভাবতে সজীব কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছে তা টের পায়নি। সজীব ঘুমের মধ্যে উপলব্ধি করে তার পাশে কোনো এক মেয়ে শুয়ে আছে। মেয়েটা একটু নড়তেই তার চুলগুলো সজীবের নাকের কাছে এসে পড়ে। আবারও সেই পাগল করা ঘ্রাণ, যেকোনো পুরুষ যেই ঘ্রাণে পাগল হতেও রাজি৷ সজীব চোখ খুলতে না পারলেও তার পাশের মেয়েটার চেহারা কল্পনা করতে পারছে এখন। আরু শুয়ে আছে তার পাশে। পরনে সবুজ রঙের শাড়ী, এটাও ধরে নিতে সক্ষম হয়েছে সজীব।
শেষ রাতে ঘুমানোর ফলে ফজরের আজানে টের পায়নি সজীব।
সকাল হতেই সূর্যের আলো এসে পড়ে সজীবের চোখে। সজীব ঘুমঘুম ভাব নিয়ে অল্প আওয়াজে বলে, " ধুর! জানালার পর্দাটা আবার টেনে দিলো কে? "
একটু নড়াচড়া করার ফলে পাশে থাকা টেবিলটায় নজর যায় সজীবের৷ টেবিলের উপর কফির মগ রাখা৷ সদ্য তৈরি করা কফি, এখনো ধোঁয়া উড়ছে কফি থেকে। সজীব শোয়া থেকে উঠে বসে, দরজাটা হালকা ফাঁক করা৷ সজীব ভাবে, হয়তো তার মা এসেছিল রুমে।
কফির মগটা হাতে নিয়ে চুমুক দিতেই এতে অন্যরকম স্বাদ পায় সজীব। এরকম কফি কখনোই খাওয়া হয়নি তার৷ আরেকটা চুমুক দিতে যাবে তখন সজীবের মায়ের আগমন। সজীব তার মাকে বলে, " আম্মু, আজ কফিটা কিন্তু অসাধারণ হয়েছে৷ "
সজীবের মা কিছুক্ষণ চুপ থাকে, সারারুমে চোখ বুলায় একবার৷ তারপর বলে, " রুমটা কি তুই গুছিয়েছিস? "
সজীব একটু হেসে জবাব দেয়, " আম্মু, তুমিও মজা শুরু করেছো! নিজে গুছিয়ে এখন মজা করা হচ্ছে তাইনা? "
" আমি রুমটা গুছাইনি। "
সোজা জবাব দেয় সজীবের মা।
সজীব আবারও হাসি দিয়ে বলে, " তাহলে এটাও বলো যে, কফিটা তুমি বানাওনি। "
সজীবের মা উত্তর দেয়, " কফিটাও আমি বানাইনি। "
সজীব চুপ হয়ে যায়। মনেমনে ভাবে, তাহলে কি এসব আরুর কাজ!
পাশে বসা সজীবের মা বলতে শুরু করে, " ফজরের আজানের পর রান্নাঘরে হাঁড়ি-পাতিল নাড়ানোর আওয়াজ পেয়ে ভেবেছিলাম তুই হয়তো কফি করতে গিয়েছিস ওখানে। যখন আমি তোর কাছে আসার উদ্দেশ্যে রুম থেকে বারান্দায় আসি, তখন দেখি একটা মেয়ে তোর রুমের দিকে কফির মগ নিয়ে আসছে। চেহারা না দেখেও শরীরের গঠন দেখে মনে হচ্ছিলো সেটা অরু, তার পরনে ছিল সবুজ রঙের একটা শাড়ী। কিন্তু আমি দ্বিধায় পড়ে যাই, অরু তো মারা গেছে পাঁচদিন আগে! যখন তোর রুমে ঢুকার সময় মেয়েটা আমার দিকে ঘাড় ফিরিয়ে মুচকি হাসি দেয় তখন আমি শিওর হয়ে যাই এটাই অরু ছিল। "
সজীব তার মায়ের কথাগুলো শুনে চুপচাপ বসে আছে। কফির মগটার দিকে তাকিয়ে মনেমনে বলে, " এসব কী হচ্ছে আমার সাথে! "
( To be continue... )

Post a Comment

Previous Post Next Post